Home / প্রচ্ছদ / কাউন্সিলর তৌহীদুল ইসলাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী

কাউন্সিলর তৌহীদুল ইসলাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী

স্টাফ রিপোটার : ২৭শে নভেন্বর রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের কাউন্সিল হওয়ায়তৃনমুল নেতাকর্মীদের মাঝে এখন আলোচনার ঝড় বইছে । কে নেতৃত্ব দিবেন রংপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে । রংপুরের প্রবীণ রাজনীতিবীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈয়বুর রহমানের প্রথম পুত্র ২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলামের নাম শোনা যাচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈয়বুর রহমান বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠব্যাক্তি ছিলেন । মরহুম তৈয়বুর রহমান ছিলেন রংপুর ক্যন্টনমেন্ট ঘেরাওয়ের অন্যতম কারিগর । কোন রুপ মরনাস্ত্র ব্যতিত ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও কর্মসূচী বিশ্বের আর কোথায় কখনো ঘটেনি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত জেলা ছিলো রংপুর। এই রংপুরের এবং সেই সাহসী পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে, পিতার রাজনৈতিক চেতনাকে বুকে লালন করে, তারই বড় ছেলে তৌহিদুল ইসলাম আজ প্রায় ৮ বছর ধরে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ডের প্রশংসিত কাউন্সিলর হিসেবে এলাকাবাসীর সেবা দিয়ে আসছেন। পিতা মরহুম তৈয়বুর রহমানও দীর্ঘদিন একটি বৃহৎ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকার মানুষের সেবা করে গেছেন। পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় তার উপর সংসারের দায় চাপায় তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দেশের রেমিটেন্স বৃদ্ধিতে অবদান রাখেন। কাউন্সিলর তৌহীদুল ইসলাম বিদেশে অবস্থান করলেও রাজনৈতিক এই পড়িবারের অপর সন্তান, শহর ছাত্রলীগের বিপ্লবি সভাপতির দায়ীত্বে থাকেন মরহুম শহীদ হেসেন শামিম। ৮০’র দশকে রংপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে তৎকালীণ স্বৈরাচার হটাও আন্দোলনে রাজপথের লড়াকু সৈনিক অকুতোভয় শামীম, স্বাধীনতা বিরোধীদের নিকট হয়ে উঠেছিলেন একটি আতঙ্কের নাম। যে কারনে স্বাধীনতা বিরোধীরা ঐতিহ্যবাহী এই পড়িবারটির উপর নানান ভাবে হামলা ও মামলা অব্যাহত রেখেছিলেন। হটাৎ বিগত ২০০৪ সালে জামায়াত বিএনপি’র একটি সু-গভীর চক্রান্তের স্বিকার হয়ে অকালে মৃত্যু বরণ করেন। ভাইয়ের মৃত্যুর পর থেকে তৈয়ব পড়িবারের সন্তান কিছুদিনের জন্য রংপুর আওয়ামীলীগে অনুপস্থ্যিত থাকেন। কিন্তু পিতা ও ছোট ভাইয়ের আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে আওয়ামী রাজনীতিতে ২০০৫ ইং সাল থেকেই সক্রিয় হয়ে উঠেন, এই তৌহীদুল ইসলাম। যিনি কারমাইকেল কলেজে অধ্যায়নরত থাকা অবস্থাতেই ছিলেন ছাত্রলীগের কলেজ ইউনিটের একজন সক্রিয় নেতা। ২০০৫ সালে পূণঃরায় আওয়ামী রাজণীতিতে আগমনের মাধ্যমে জনাব তৌহীদুল ইসলাম, নগর আওয়ামীলীগের কট্টরপন্থ্যি সমর্থকদের নিকট হয়ে উঠেন জনপ্রিয় নেতা। পদ বিহীন কোন নেতা যদি রংপুর আওয়ামী পড়িবারে থাকে তবে তার নীদর্শন হয়ে থাকবেন তৌহীদুল ইসলাম। যদিও বর্তমানে তিনি রংপুর সিটি আওয়ামী কাউন্সিলর পরিষদের সভাপতি, ২০ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের রংপুর জেলা সভাপতিসহ অসংখ্য সংগঠনের সক্রিয় কর্ণধার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এলাকাবাসীর চাপে পড়ে যেমন তিনি কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন, তেমনিভাবে নগর আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীদের চাপে অবশেষে প্রার্থী হতে বাধ্য হলেন, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী হতে। তার সভাপতি হওয়ার সংবাদ নগরময় প্রচারিত হলে, দলের অনেক প্রবীণ রাজনীতিবিদও মরহুম তৈয়বুর রহমান এবং শামিম’র পরিবারকে যোগ্য মর্যাদা দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে যাচ্ছেন। প্রসঙ্গক্রমে কাউন্সিলর তৌহীদুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হয়েছিল , আপনি কি মহনগর আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে নিজেকে যোগ্য মনে করেন? উত্তরে জনাব তৌহীদুল ইসলাম নিজের উপর বিস্বাশ রেখে বলেন, আমি ভোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচন করলে নিঃসন্দেহে বিজয়ী হবো। আর যদি কালো টাকার কালো চশমায় ঘেরা স্বজনপ্রিতির মাধ্যমে কমিটি গঠিত হয়, সে ক্ষেত্রে আমি হয়তো আর্থীক ভাবে পরাজিত হওয়ার কারণে, তদবীর লড়াইয়ে হেরে যাব। প্রতিনিধির দেয়া প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ রংপুর বিভাগের সকল ৮ জেলায় নব্য আওয়ামীলীগের অনেক কথিত নেতাই নিজেকে প্রার্থী দাবী করছেন, কিন্তু কেন্দ্রীয় দায়ীত্ব প্রাপ্ত নেতাদের নিকট আমার জোর দাবী আপনারা ভোটের মাধ্যমেই কমিটি করুন। তাহলে সঠিক নেতৃত্ব খুঁজে পাবেন।

About rangpur24news

Check Also

কাউনিয়ায় ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১০২ জন ভূয়া পরিক্ষার্থী বহিষ্কার

স্টাফ রিপোর্টার রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি ও এবতেদায়ী) পরীক্ষা ভুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *